পাণ্ডুলিপির কবিতা কবি জীবনানন্দ দাশ এর কাব্যগ্রন্থ যা ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়।কবির মৃত্যু-পরবর্তী প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হলো ১৯৫৭-তে প্রকাশিত রূপসী বাংলা এবং ১৯৬১-তে প্রকাশিত বেলা অবেলা কালবেলা। জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলা’র পাণ্ডুলিপি তৈরি করে থাকলেও জীবদ্দশায় এর প্রকাশের উদ্যোগ নেননি।
তিনি গ্রন্থটির প্রচ্ছদ নাম নির্ধারণ করেছিলেন বাংলার ত্রস্ত নীলিমা। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশকালে এর নামকরণ করা হয় “রূপসী বাংলা।” তার অগ্রন্থিত কবিতাবলি নিয়ে প্রকাশিত কবিতা সংকলনগুলো হলো: সুদর্শনা (১৯৭৩), আলো পৃথিবী (১৯৮১), মনোবিহঙ্গম, হে প্রেম, তোমারে ভেবে ভেবে (১৯৯৮), অপ্রকাশিত একান্ন (১৯৯৯) এবং আবছায়া (২০০৪)।
কবির প্রকাশিত-অপ্রকাশিত গ্রন্থিত-অগ্রন্থিত সকল কবিতার আঁকড় দেবীপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত জীবনানন্দ দাশের কাব্যসংগ্রহ সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে। অব্যবহিত পরে গ্রন্থিত-অগ্রন্থিত সকল কবিতার পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে আবদুল মান্নান সৈয়দের উদ্যোগে।
পরবর্তী কালে আবিষ্কৃত আরো কবিতা অন্তর্ভুক্ত করে ক্ষেত্র গুপ্ত ২০০১-এ প্রকাশ করেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য সমগ্র। ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে ভূমেন্দ্র গুহ প্রতিক্ষণ প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করেন জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত-অপ্রকাশিত-গ্রন্থিত-অগ্রন্থিত সকল কবিতার আঁকড় গ্রন্থ পাণ্ডুলিপির কবিতা (১৪ খন্ড)।
পাণ্ডুলিপির কবিতা

পাণ্ডুলিপির কবিতা ১ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- ভালোবাসার রোমহর্ষ
- এক দিন ভাবি নি কি
- মাঠ বিল জল
- যদি সুলতান হতাম
- যখন শীতের রাত
- এই সমুদ্রের পাশে
- যখন উঠেছে চাঁদ
- এখন মাঠের থেকে মাঠে
- এখন ভুলেছি সব
- দেখেছি নদীকে
- অনেক লিখেছি গান
- বৈশাখের আকাশ
- স্ট্র্যাণ্ডে কবিতা
- মহিষ কবিতা
- আর্টিস্টদের কথা বলছি
- কখনও ভোরের রাতে
- এখন অনেক রাত
- অনেক জলের কাছে ব’সে
- আকাশের মেঘ
- এত দিন ডাকি নাই
- গভীর শীতের রাত
- স্বর্গ নরকের থেকে
- হঠাৎ কখন যেন
- ট্রামের লাইনের পথ
- রবীন্দ্রনাথ কবিতা
- অঘ্রান কবিতা
- এখনও পেঁচার পাখা
- যখন তোমার সাথে
- হঠাৎ শীতের রাতে
- কেরানিরা কবিতা
- গ্রে স্ট্রিট
- কখন উঠেছে চাঁদ
- নক্ষত্রের রাত্রির মতন
- এক দিন ভোরে
- শহরের মেসে
- আকাশে নক্ষত্র
- ঘাস মাঠ নদী নীড়
- এক দিন
- সন্দিহান কবিতা
- এইখানে ধান খেত
- ঘর কবিতা
- যা হল না তা-ই ভেবে
- বেদিয়ার দল
- চিল কবিতা
- এই রাতে
- সমুদ্রের দিকে চলেছি
- যখন বিজন ট্রেন অন্ধকারে চলে
- চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলাম
- তাহারা গাঁয়ের লোক
- এক দিন দেরিতে
- ঐ দূর প্রাচীরের পর
- কখন নীরব হল এই রাত
- সবুজ পাড়াগাঁ
- বুনোহাঁস কবিতা
- এখানে হাঁসের দেশ
- আমার এ-জানালার পাশে

পাণ্ডুলিপির কবিতা ২য় খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- হঠাৎ কখন তুমি
- অনেক মাকালফলে
- কত দিন হয়ে গেল
- আমার মৃত্যুর পরে
- উঠানের পায়রা শালিক
- মৃত এক চড়ুই
- এখানে শিরীষে ঝাউয়ে
- খানিকটা দূরে
- এক দিন কবিতা
- কাঁকরের পথ দিয়ে
- দেখেছি হৃদয় ঢের
- এখন বিকেলবেলা
- শেষ হল জীবনের সব লেনদেন
- কে গো তুমি অন্ধকারে
- প্রেম ক্রমে নিভিতেছে
- বহু দিন পৃথিবীর পথে
- মনে হয় কত দূর তুমি
- বার বার ঘুম পায়
- কে জানে কখন
- আজ এই পৃথিবীর
- সহসা ভোরের ঘুম
- ভুল করে নাই জানি
- আমার হৃদয়
- কখনও আকাশে
- জানি আমি
- এই ঘাস
- বহু দিন পৃথিবীর পথে
- আমার শৈশব
- পাহাড়ের দেবদারু
- শৈশবে আমি
- আবার বলিল আজ
- সব ছেড়ে জানিয়াছে
- আমার এ অনুভব
- নক্ষত্রেরা আজও আসে
- রাত্রির আকাশ যেন
- মৃত্যু নয়
- পৃথিবীর পথে হাঁটি
- বসে আছি একা
- হয়তো কার্তিকে
- আজ সকালে
- কলকাতা আবার জেগে উঠেছে
- অন্ধকার রাতে
- বাঙালি পাঞ্জাবি মারাঠি গুজরাটি
- লক্ষ লক্ষ নাগরিক রয়েছি
- এই মধ্যাহ্নে
- খেতের ধান কাটা হয়ে গেছে
- ফসল ফলে না আর
- বাতাবিফুলের মতো সুঘ্রাণ
- আমরা শত-সহস্র লোক
- বরং নতুন এই অভিজ্ঞতা
- পাখি কবিতা
- এই দিন
- আজকের দিন
- কাল রাত
- একনলা দীর্ঘ গাছ
- স্বপ্ন দেখি
- সোনালি ডানার শঙ্খচিল
- সে এক শীতের রাতে
- সন্ধ্যার নদীর পারে
- প্রকাণ্ড বিড়াল এক
- কোকিল কবিতা
- আমার জানালার পাশে
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৩য় খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- জীবনটা ভারি চমৎকার
- আবার এসেছে দিন
- কবিকে দেখে এলাম
- এখনও জন্মি নি আমরা
- এইখানে চিতা তার
- রেনকোট কাঁধে রেখে
- তুমি আর আসিবে না
- তুমি আর আসিলে না
- কত দিন আগে
- উষ্ণ অভিসার
- কেন তুমি এলে না
- এইখানে প্যাকাটির মতো
- প্রচুর গভীর জ্যোৎস্নায়
- ঘোষদের মণ্ডপে
- যখন খেতের ধান ঝরে গেছে
- কাঁঠালের ডালে ডালে
- মাঠের সবুজ ঘাস
- আমরা যে শুনেছি
- কত বার দেখিয়াছি
- মৃতার মুখের দিকে
- তুমি আজ মরে গেছ
- মৃত যারা
- কেমন যে ছিলে তুমি
- যখন মৃতেরা দূরে চলে যায়
- যাহারা খসিয়া গেছে
- তোমাকে দেখি না আর
- তিন বছরের মেয়ে
- বৃষ্টি বুঝি এল
- দম্পতি কবিতা
- আকাশের চাঁদ
- কাঁঠালগাছের ছায়া পড়িয়াছে
- কত দিন পোড়া জ্বর
- বলেছিলে এক রাতে
- কী যে আমি চাই
- কত দিন থেকে
- শুধু ধ্বনি শুনি
- কার্তিকের কুয়াশায়
- পুকুরের খাড়া পাড়ে
- আমারে বিধাতা তুমি কোল দাও
- এ পৃথিবী রুক্ষ বড়
- সারা-দিন ট্রাম-বাস
- আমি যে সংসারে মন দিতে চাই
- জানি না কোথায় তুমি
- কাদাখোঁচাদের শব্দ
- শূন্য রূঢ় অসুন্দর
- চিন্তা যদি রহিত না
- মেসে কবিতা
- বটের শাখায়
- বসন্ত চলিয়া গেছে
- কয়েকটা খেতে ধান
- ধান পেকে উঠিতেছে
- প্রথম ফসল ঘরে চলে গেছে
- এই সেই কার্তিকের নরম সময়
- আমি তো জানি না, আহা
- চৈত্রের সকাল
- আশ্বিনের শান্ত সকালে
- সিন্ধুশকুন কবিতা
- হে সিন্ধুশকুন
- আমি সব ছেড়ে দিয়ে
- আবার শুনিবে সিন্ধু
- সমস্ত দিনের মাঝে
- পৃথিবীর ইতিহাস
- নদীর কিনার ছেড়ে
- সন্ধ্যার নদীর জল
- পৃথিবীরে ফাঁকি দিয়ে
- অনেক ধানের গুচ্ছ
- যে মাঠে ফসল নাই
- যত দূর চোখ যায়
- অন্য রকম
- এই পৃথিবী বড় ব্যস্ত
- যাযাবর পাখির মতো
- আকাশে পাখার শব্দ
- ঢের গভীর রাত
- মৃত্যুকে চেন না
- হে শঙ্খমালা
- শীত তখন শেষ
- শীতের রাত
- অমলা চৌধুরী
- ফাল্গুনের গোধূলি
- সন্ধ্যার পৃথিবী
- কাল রাতে
- অন্ধকার রাত্রি
- পথে বন্দরে সমুদ্রে
- কিন্তু তবুও তার পর
- সমতল পথের ভিতর
- সন্ধ্যার কুয়াশায়
- গভীর রাতে আকাশে
- শীতের তীক্ষ্ণতা
- মৃত্যু অনেক দূরে
- এই সবুজ মাঠে
- উষ্ণ রক্তের আনন্দ
- এই সব পাতা
- কোথায় এত আবেগের জন্ম
- মৃত্যুর রূপ দেখেছি
- কবিতা রবীন্দ্রনাথ
- সে যেন আসবে
- এই পৃথিবী কখন থামবে
- তবুও সে আসবে না আর
- এই পৃথিবীর খেলা
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৪র্থ খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- পৃথিবীর উদ্যমের মাঠে
- আশ্চর্য গভীর রাতে
- ধূসর চিন্তার জাল
- কাল রাতে কবিতা
- রাতের কিনারে বসে
- বিকেলের আলোয়
- বিকেলের ভিজে কালো মেঘে
- শিরীষফুল কবিতা
- কাস্তের মতো বাঁকা চাঁদ
- অনুরাধা আর তার নাক্ষত্রিক বোন
- উপসাগরের ঢেউয়ে
- কোন রাশিতে জন্ম তোমার
- সমস্ত নক্ষত্র
- এই সব স্মৃতি
- নক্ষত্র বোনেরা
- অপার্থিব আলো
- যদিও আকাশে চাঁদ
- উজ্জ্বল দু একটি মুখ
- সারা রাত মিশে থাক
- চাঁদ ডুবে গেছে
- তোমারে দেখিব আমি কবে
- ভোরের কাক উড়ে যায়
- আলো অন্ধকারে
- কিমাকার কবিতা
- বিধাতার হাতে
- জ্যামিতিক বেদীর মতন
- হেমন্তের প্রশ্নময় রাতে
- মৃত্তিকার তরঙ্গের দিকে
- স্থবির মানুষও দেখি
- স্থবির হবে না তুমি
- আমলকী রঙের আকাশে
- মানুষ জেনেছে যাহা
- রাত্রির আকাশে
- চেয়েছিলে কী জানিতে
- অশ্বত্থের আঁধার কোটরে
- আজ রাতে দরজায়
- রাত্রি শেষ হয়ে যায়
- আজ ভোরে দরজায়
- আজ রাতে
- এক দিন মুখোমুখি
- পশ্চিমের মেঘ
- রাত্রি যেন অন্ধকার জল
- শেষ এক অন্ধকার সিঁড়ি
- আকাশের অই পারে
- যত বার প্রশ্ন আমি করিলাম
- ধূসর বিকেল
- আকাশের সুবিস্তীর্ণ রাত
- দানবের দেশ থেকে
- অন্ধকারে ট্রেন যেন
- চোখ তার পৃথিবীর আধো-ছবি
- দিন শেষ হয়ে যায়
- বড় ফড়িঙের মতো
- গঙ্গাসাগরের মেলা হবে
- তিনটি মায়ের কোলে
- কোথায় যেতেছ তুমি
- তাহাদের ছায়া ফেলে
- তিন জন চিনেম্যান
- শ্রাবণের স্তব্ধতায়
- মৃত্যুর ঘনতা যেন
- ভেবেছিলাম এ-বার
- অনিলা কবিতা
- অবিনাশ কবিতা
- চাকরটা আপিং খায়
- একসঙ্গে খেলেছে
- তুমি আর আমি
- যদি রাত হত
- তুমি যদি ডাকো
- সবাই চলিয়া যায়
- ধূসর পাহাড় এসে দাঁড়াবে
- এ পৃথিবী অবিরল রূপের নীলিমা
- মেঘের শিয়রে শুয়ে
- মেঘের কিনারে শুয়ে
- নির্জন নীল রাত্রির আকাশ
- গোধূলির আলোয়
- ম্লান আলোয়
- আগুন বাতাস জলের গান
- আকাশে জ্যোৎস্না
- পৃথিবীর পথে
- নক্ষত্রের আলোয়
- মৃত কবির পাণ্ডুলিপি
- তোমাকে তখন পাব
- কত দিন তোমাকে দেখি না
- আর কিছু আমাদের নয়
- মৃতেরা ঘুমিয়ে আছে
- কোথায় গিয়েছে আজ
- সকল শেষের পথ
- কমলাবতীর ভালোবাসা
- যযাতির তরুণ শরীর
- আমার মনের ভেতরে
- পথের কিনারে দেখলাম
- জ্যোৎস্না রাতে
- আমার হৃদয়ের পিপাসা
- অনেক বছরের ধূসরতার ভিতর
- প্রেম অপ্রেম
- আশ্চর্য এক ভোর এল
- সে কবিতা
- কোনও এক পাহাড়ের দেশে
- দুটো বিড়াল
- যুবকটির অনেক দিন হয়
- সকালবেলার আলো
- ঘরের ভিতর
- একটি নারী
- রাতের বাতাস আসে
- অন্ধকার দালানের সিঁড়ি
- সে এক মহিলা
- বাইরে হিমের হাওয়া
- যুবা অই
- শুধাই নি আমি
- জর্নাল: ১৯৩৬
- এইখানে মধ্যরাতে
- অন্ধকার কবিতা
- গানের দেবতারা
- সব সময়ই যেন ঘুম
- মরণ ঘন হয়ে উঠছে
- নিমীল ধানের থেকে
- চায়ের পেয়ালা
- অন্ধকার সীমানায়
- বাতাসের খেলা
- হায় দেবতারা
- এই সব শীতের রাতে
- এ জীবন ব্যবহৃত হল না
- রৌদ্রে উত্তেজিত দিনের মুখ
- রৌদ্রের উত্তেজনায় সূর্য আজ
- মধ্যআশ্বিন কবিতা
- সোনালি সূর্যের মুখোমুখি
- রোদ মরে যাচ্ছে
- রাত্রির অন্ধকার ও বৃষ্টি
- কার্তিকের নিস্তব্ধ জ্যোৎস্না-রাতে
- চন্দ্রমল্লিকা কবিতা
- অবিনাশ দত্ত কবিতা
- সময়ের পথে পথে ঘুরে ফেরে
- বসন্তের রাত
- টের পাচ্ছি আমি
- মৃত্যুর দূত এল যেন
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৫ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- বারবনিতা কবিতা
- নক্ষত্রেরা বেলুনের মতো
- কর্কটের মতো এক রোগ
- প্রিন্সিপাল যুবক অধ্যাপককে
- পরফিরিয়ার প্রেমিক
- শিরীষ গাছে পেঁচা
- কল্যাণী বধূ
- অগাধ সমুদ্রঝঙ্কার
- বিমলা বিধবা হল
- পালিয়ে যেতে
- পঁচিশ বছর আগের কথা
- মানব সমাজ
- বুড়ো বললে
- প্রথম দেখা
- যখন তোমার মুখের দিকে তাকাই
- এই প্রথম দেখা নয়
- মানুষের চোখ
- মধ্যরাতের প্রাসাদে
- হে নারী
- সমুদ্রের কিনারে
- হে অনাদি প্রেম
- ধূসর মৃত্তিকা
- হেমন্তের পাতা
- এমনই নিস্তব্ধ আজ তুমি
- ধূসর বিড়ালের ঝগড়া
- বেকার ছোকরারাই
- বেকার মাঝ বয়সি
- যুবকটির কোনও চাকরি নেই
- অন্ধকারের ভিতর চর্বি বাতি
- এত রাতে ফুটপাথগুলো
- পিতৃপুরুষদের আস্বাদের ভিতর
- মহান অন্ধকারের ভিতর
- আকাশের নক্ষত্রেরা
- সেখানে সমুদ্র যেন
- অনেক মক্ষিকা যেন
- শতভিষা নক্ষত্রের মন
- বিস্মৃত নদীর প্রেত
- তুমি কাছে নেই আজ
- হেমন্তের কুয়াশায়
- সমুদ্রের জ্যোৎস্না
- কর্কটের মতো এক রোগ
- অন্ধকার আছে বলে
- মৎস্যগন্ধা কবিতা
- তুলোর বালিশে মাথা রেখে
- পৃথিবীর পথে হেঁটে দেখা গেল
- এই মুখ
- তাহার মুখের দিকে চেয়ে
- দাঁড়কাক কবিতা
- নীরবতা চাই
- মোমবাতি নিভে যাবে
- আমি সেই ঘুমের কিনারে
- শিশুসন্তানটির মৃত্যুর রাতে
- স্তিমিত মৃগের মতো
- মানুষ যে শুয়ে থাকে
- কোনও এক বয়স্কা রূপসির প্রতি
- কুয়াশার মতো এক গোরু
- কথা কবিতা
- মৃত কুকুর
- অনেক গভীর কালো
- নয়ানি নদীর জলে
- মনে হল যেন আমি একা
- দোয়েল কবিতা
- পৃথিবীর কোনও নদী
- কুয়াশার চশমায়
- আমি ভালোবাসি বলে
- গভীর অন্ধকারের ভিতর থেকে
- এখনও পেট নিঃসরিত হয়
- প্রেমিক ইঁদুর
- বসির কবিতা
- আলোর কলকাতা
- বৈশাখ রাতে
- শীতের রাতে
- ফিলজফিক কন্ডাক্টার
- এই যুবক
- আশ্বাস কবিতা
- প্রেমিক কবিতা
- পাপস্বীকার কবিতা
- অন্ধকার রাতে
- পৃথিবীর সব সোনা
- প্রেমিকার রূপে
- তোমারে দেখেছি আমি
- তোমারে নিজের হাতে
- তারা ভাবে
- মৃত নক্ষত্রের দোষে
- নির্জন বালিশে
- প্রেমিক মৃত রাজকন্যাকে
- জলের মতন সাদা রস
- যদিও তোমার বুকে
- এ পৃথিবী ঢের দূর
- ধূসর প্রাসাদ
- প্রাসাদের অন্ধকারে
- তোমারে দেখেছি আমি
- রূপ দেয় নদী এসে
- অন্ধকার রজনীরা
- রয়েছে হলুদ পাতা
- নদীটির স্বাদ পেয়ে
- মনে নেই
- নিষ্পাপ কুমারীর ভালোবাসা
- প্রগাঢ় নীলিমায়
- ফুল পাখি পাতা নিয়ে
- পৃথিবীর নিস্তব্ধতায়
- গভীর জ্যোৎস্না রাতে
- প্রভূত মানুষ
- মৃত্যুর সময়
- মাটির উপর থেকে
- পেঁপে গাছ
- অঘ্রানের জ্যোৎস্না
- অভিভাষণ কবিতা
- রাতের পেঁচা
- নিশীথের নিরন্ন বাতাসে
- মনে হয় যেন জ্যোতি
- যেই বই পাবে না ক দার্শনিক
- অঘ্রান রাতের চাঁদ
- বৈশালীর আকাশের ভোর
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৬ষ্ঠ খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- বিশ বছর আগে
- দাঁড়িয়ে রয়েছ তুমি
- পাপ স্বীকার বেকার
- আহা বালিকা
- বালিশে ঘুমের মাথা
- এই তো সে দিন
- হাজার হাজার বছর
- হে কৃষকবালিকা
- পীত প্রাণীদের গান
- আমি জানি
- হে মনীষীর ভিড়
- মাধুরী সেন
- যেখানে সারঙ্গ বাজে
- অমলা কবিতা
- বহু দিন পরিচিত
- দেহের রহস্য থেকে
- আর এক বার
- এখন দুপুর রাত
- শান্তি চাই
- শস্যখেতের উর্বশী
- চেয়ে দেখ
- তার পর সেই মৃতা
- দিন শেষ হয়ে গেল
- প্রেমিক হৃদয়
- চৈত্রের দুপুর
- সান্যাল কবিতা
- মোমের প্রদীপ জ্বেলে
- ডাইনোসরের মতো প্রকাণ্ড
- শালিখ কবিতা
- বেলুনের মতো আমি
- পুরোনো দিনের ভূত
- প্রকৃতি শুধায় ডেকে
- উপনিষদের ঋষি
- নবতর ভিড় আসে
- আমি এক স্থবিরেরে চিনি
- আহা সেই সব দিন
- ছেড়া পকেটের থেকে
- নির্জন কলম নিয়ে
- শহরে বিকেল হলে
- গভীর শীতের রাতে
- এই চাই
- কোনও দিন জোনাকিরা
- পাখির ডানার মতো
- মধ্যরাতে ক্লান্ত হয়ে
- সময় কবিতা
- অনেক গভীর বই পড়ে
- যেইখানে বৎসরেরা
- অনেক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে
- এখানে ভোরের রৌদ্রে
- দানবীর স্তন
- স্টিমের জাহাজ
- ইঁদুরের মতো যারা
- মাঝসমুদ্রের জলে
- কোনও দিকে মেঘ নাই
- এইখানে প্রভাতের রৌদ্রে
- তবুও যখন মৃত্যু হবে উপস্থিত
- অন্ধকার রজনীতে
- সময়ের স্তর
- রাতের বাতাস যেন
- সিঁড়ির উপরে
- আমরাও পাখি হয়ে
- ঢের দীর্ঘ পথ যেন
- মনে হয় এ প্রভাত
- নিশীথের বাতাস
- প্রকৃতির গুপ্তচর
- কাঠুরিয়ার হাতে
- আমরা দেহের দাম দিতে পারি
- সময় ঘুরিতে আছে যেন
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৭ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- অতীত কালের দিকে চেয়ে
- এই নিশীথের পারে বসে
- অন্ধকার এল যেন
- মৃত্যু যেন স্থির হিম
- হে নাবিক
- নিশীথের বায়ু
- আমি কি আবার সেই
- হে প্রাণ
- সিংহ এক বসে আছে
- বলো তুমি নীলাকাশ
- আরও স্থির সত্য
- সেইখানে সমস্বরে
- মনে ভাবি
- উঁচু এক প্রাসাদের জানালায়
- ধর্মভীরু ঘড়ি
- সমুদ্রের অই পারে
- নামহীন হৃদয়বিহীন
- নৌকায় বোঝা রেখে
- কোনও এক গুলি এসে
- নির্জন হেমন্ত রাতে
- যাহা মৃত তাহা মৃত
- নববর্ষের গান
- শতাব্দীর পথে
- হে মহিলা
- নির্জন শবাধার
- প্রবীণ পুরোনো কথা
- তোমার মাথার পরে
- সকালে ঘুমের থেকে উঠে
- অন্ধকার নিশীথ
- গভীর আঁধার রাতে
- ধবল ঘোটক
- আত্মার আবেগে
- পৃথিবীতে জেগে থেকে
- বিজয়ের চেয়ে আরও কঠিন
- জানি সে মানবাত্মা
- কর্পূরীর জলসায়
- মৃত্যুর অই পার থেকে
- পিতৃলোক কবিতা
- হে মানুষ
- লবণের নারীর মতন
- অন্ধকার শূন্য খুঁড়ে
- নামের ও পারে নাম
- তোমাদের হৃদয় পাথর হবে
- শতাব্দী নদীর পারে
- একটি ব্যাগের ভিতরে
- সূর্যের শেষ বিম্ব
- বহুপ্রসবিনী জননীর প্রাণে
- একটি মোমের বাতি
- রায়দের পরিবার
- নগরীর এক টেরে দুর্গ
- বিকেলের সাদা আলো
- গভীর শীতের রাতে
- মানবীর মতো দেহকোষে
- আমি এই পৃথিবীতে এসে
- সোমেশ্বর মুস্তফির পৃথিবী
- মেঘ করে আসে
- হাতির হাওদায় চড়ে
- জীবনের অদ্ভুত অর্ধেক দিন
- আজ এই পৃথিবীতে
- দীর্ঘ এক দেবদারুগাছের নিকটে
- সহসা হয়তো কোনও
- এ পৃথিবী তার তরে
- আরও গাঢ় বিতর্কের পাতা
- হংসেশ্বর চৌধুরি
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৮ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- রামেশ্বর ঘোষ
- কে যেন মানুষ এক
- দম্পতি কবিতা
- নিমাইচরণ কবিতা
- মহলানবিশ কবিতা
- বুড়ো হতে চলিলাম
- মরফিন ইঞ্জেকশন
- অবসর পেলে
- এই জ্যোৎস্নারাতে চাঁদ
- পুরোনো বইয়ের দোকানে আমি
- আমার তবুও মনে হয়েছিল
- আর একটা রবিবার
- কে যেন বলিল
- পরশুরাম কবিতা
- মনে হল
- রুটি বিক্রেতার ঘরে জন্মেছে যে
- দীর্ঘ শরীর তার
- কী বই সে না পড়েছে?
- মাঝরাতে উঠিল সে
- কয়েকটা নতুন পুস্তক
- বহু দিন হেঁটে হেঁটে
- অন্ধকার ঝটিকার রাতে
- চীনের যুদ্ধক্ষেত্রে মৃতের শিয়রে
- চীনা শ্রমিকের মৃত্যু
- জার্মান নারীকে চিঠি
- হেমন্ত বিকাল
- গাছের নীরব পাতা
- পৃথিবী সহসা যেন
- রাজহংসী কবিতা
- নির্জন শীতের রাতে
- মনে পড়ে ছোটবেলা
- যদিও করি নি যাচ্ঞা
- মনে হয় আজ এই
- কাকজ্যোৎস্না কবিতা
- কে জানে পৃথিবী কোথায়
- প্রবীণ চিল
- খয়েরি ডানায়
- চীন ১৯৩৭-৩৮
- বাংলার কৃষাণ
- মৃত্যু এল
- এমন কৃষক আমি দেখি নাই
- গভীর গ্রন্থিল দৃঢ় হাত
- রুপালি বৃষ্টির গান
- অনুভব কবিতা
- আমরা এ পৃথিবীতে এসে
- ফাল্গুনের কুয়াশায়
- স্থবির ভাবিছে বসে
- মৃত চীন সৈনিক
- এইখানে গ্রামের প্রান্তর
- অনেক আশ্চর্য বন্ধু
- সম্রাটের সৈনিকেরা ঘুমায়েছে
- সুমেরীয় প্রেম
- সংগ্রাম কবিতা
- কোনও এক প্রাসাদের
- কোথাও বিদ্যুৎ নাই
- রাত্রির আলো ভালোবাসি
- ভাঁড়ের মৃত্যু: ১৯৩৬
- মৃত্যু স্পষ্টতা
- কী করে সন্ধ্যার চিল
- যখন নেমেছে রাত্রি
- যে আলোক আমরা দেখিয়া গেছি
- মোমের আলোয় চিন্তা
- বিতর্ক কবিতা
- এইখানে কবিতা
- অমায়িক সহাবস্থানে মানুষের মুখাবয়ব
- যে স্থবির কবরের পাশে
- কেমন অদ্ভুত ফুল
- এইখানে মনে হয়
- পৃথিবীর যেই সব বিপর্যয়
- এখন আমার ঘোড়া নিয়ে যাই
পাণ্ডুলিপির কবিতা ৯ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- বন্দরের জনসমাগমে
- কোনও স্থবির কবির প্রতি
- হেমন্তের শাল্মলি বন
- শিল্পী কবিতা
- ভারতীয় খেলার সাপুড়ে
- এক বার যে মানুষ
- আমাদের এই ঘর
- মসৃণ দস্তানা
- পিতৃলোকদের উক্তি
- মনের উপরে
- আদি কারণের বীজ
- এখন তোমার হাতে
- যেই সব যুবকেরা
- বিখ্যাত নদীর জলে
- অন্ধকারে তার পর
- অনেক ধারণা ছিল
- যদিও বিগত কাল
- কখনও বিদেশে গিয়ে
- সিংহলের থেকে রোজ
- মনে হয় প্রান্তর
- কোনও আখ্যা দিতে গিয়ে
- তাহাদের সারবত্তা ছিল ঢের
- সূচনার দিনে তারা
- নিষিদ্ধ শহর
- অনেক গম্ভীর মেঘে
- যখন শরৎ আসে
- কেন যে মানুষ
- যদিও সে মনে করে
- সহসা যখন ঝড় উড়ে এল
- গোধূলির জাফরান মেঘের ভিতরে
- আমরা মকর হয়ে
- কালাতিপাত কবিতা
- তবু সেই পৃথিবীতে সূর্য ছিল
- আজ এই পৃথিবীর
- জীবিত ও মৃত
- যখন নগরী আরও অন্ধকার
- ধূসর সময়
- সহসা প্রথম এক দিন
- মেধাবী ভাস্কর
- এখন চৈত্রের হাওয়া
- এখন অঘ্রান ভোর
- মস্তিষ্কে কল্পনাশিখা
- গোধূলির সীমানায়
- জানো না কি তোমরা
- এইখানে শুয়ে আছি
- সন্ধ্যায় ভিখিরি
- সমুদ্রের কাছে
- মনে পড়ে সেই সব
- শিশু কবিতা
- দাঁড়াল মানুষ এক
- উইকএন্ড টিকিটের জোরে
- জানালায় চাঁদ আসে
- এখনও বিধ্বস্ত হয়ে যাই নাই
- ভিখিরিনি কবিতা
- পূর্ণেন্দু কবিতা
- মেয়েটির প্রাণে
- যখন আকাশে চাঁদ
- যুবারা যখন গেল
- তখন আমার দিন ছিল
- চাঁদের প্রতিভূ
- অভিজ্ঞতা বেড়ে যায়
- স্বর্গীয় ঘোড়া
- সাদা জ্যোৎস্নায়
- প্রবালদ্বীপে দুই মুহূর্ত
- জীবনের ঢের দিন কেটে গেছে
- চার্বাকের তুণ্ড ভেঙে ফেলে
- সেই সব প্রাণীদের
- মৃত্যু শুধু
- কয়েকটি দার্শনিক সংঘের অভাব
- জন্তুর হৃদয়ে ঢের ভয়
- বিলোল নৃশংসতা
- অন্তরঙ্গ স্বপ্নের গাম্ভীর্যে
- ধূসর রাতে
- যখন গিয়েছে ডেকে নিসর্গ
- ঢের দূরে
- সেখানে হয়তো সমুদ্র ছিল
- তত দিনে অন্ধকারে
- সমুদ্রের থেকে ঢের দূরে
- বিকলাঙ্গ নদী
- মহান মাতা শোক করে
- জলের বিম্বে নড়ে
- প্লেটোনিক কবিতা
- স্বাধীনতা মিশে গেছে
- অপ্রেমের কবিতা
- সময়ের বীজ
- ধবল মেঘের থেকে
পাণ্ডুলিপির কবিতা ১০ম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- এ স্থান কি ছেড়ে দেব
- পূরবী কবিতা
- অন্ধকারে চুল রেখে
- সেখানে গম্বুজ এক
- পৃথিবীর মানুষের তরে
- কতিপয় লোক এসে
- মরীচিকা কবিতা
- সকলেই পথ হাঁটে
- আজ এই পৃথিবীর
- ইস্পাতের মতো নীল নদী
- সাগরে নিজের তীক্ষ্ণ মহিমায়
- যদিও মণ্ডপে রোজই
- আমরা প্রবল অতি
- দেবাকৃতি দেখা যায়
- যখন বরাহ হল অবতার
- শঠতা কবিতা
- হলুদ বোলতা
- প্রান্তরের অন্ধকারে
- কোনও এক জাদুকর
- তার পর তারে আমি দেখিলাম
- ঘুমন্ত এক রাজকন্যা
- হে সঙ্গীতকারী তরু
- ভিন্ন সূর্য পঞ্চম অঙ্ক
- তোমার প্রশান্ত অহমিকা
- যেখানে দিনের আলো
- এই স্থূল হস্ত
- বিস্ময়ে সূর্যকে চেয়ে দেখেছিল
- বিবাহের রাত্রে
- কোনও এক নারীকে
- কখনও তিতির ডাকে
- মনে ভেবে গেছে সব
- সহসা ঝড়ের দিনে
- শ্লথ বুনুনির মতো
- এখানে সান্ত্বনা কেউ পায় নাই
- বায়ুর ভিতরে
- মৃত্যু কবিতা
- নৃত্যের অবসর
- সর্বদা দুপুর রাতে
- আমার দৃষ্টির পথে
- কেবলই হুল্লোড় আসে
- আবার উঠেছে জেগে
- কোথাও তোমার সাথে
- ফ্যাক্টরির পাশে
- এক দ্বীপের বাতাসে
- পৃথিবীর পথে কবিতা
- জনতাহীন দেশে
- এখনও সে মনে জানে
- আমাদের সচেতন মনে
- মহোৎসব কবিতা
- আজ রাতে
- নীলাভ নির্জন শূন্যে
- বড়ো বড়ো জানালারা অনাবৃত
- এখন সময় হল
- আকাশে যখন রৌদ্র
- এই রাত্রে অবহিত
- আমাদের এই সব
- মনে হয় অনেক সময়
- তোমাদের বৃত্তের ভিতর
- এখন বাতাস আসে
- আমরাও অস্পৃষ্ট অঙ্গার
- এ দেশের কী যে নাম
- ঘাসের উপরে শুয়ে এইখানে
- এই মেয়েটির মুখে
- এক দিন পৃথিবীর
- অনেক গভীর ইচ্ছা
- পৃথিবীর ক্লান্তিহীন বাতাসের
- ঘড়ির ভিতর থেকে সময়কে
- এত তাড়াতাড়ি তুমি বুড়ো
- সর্বদাই চেয়ে দেখে
- অনেক সময় আমি
- শেয়ালের মৃত্যু
- আমিও তোমার মতো
- আমাদেরও প্রাণে
- অনেক সমুদ্র পাড়ি দিয়ে
- বিলুপ্ত যুগে
- এই সেই শীর্ণ দীর্ঘ লোক
- আয়ুর সময়কাল
- যখন পাখিরা
- ১৩২৫-৪৪ কবিতা
- নিজের হৃদয়ে ডুবে
- আজ রাতে প্রথমেই মনে পড়ে
- হিম হাওয়া
- এখনও তোমার চোখে
- অঘ্রান কবিতা
- কোকিল অনেক দিন ডেকে
- এখানে ঘুঘুরা পায় টের
- এই ঘর অবিকল
- আমাদের চোখের সম্মুখে
- বহু যাত্রা শেষ
- আলোকস্তম্ভ কবিতা
- মিডিয়া কবিতা
- উড়ুক্কু মাছের নাচে
- কোথাও রাত্রিতে এক সমুদ্রের পারে
- সবই গোলাকার
- এইখানে জানালায়
- যেইখানে জন্ম হয়েছিল
- চেয়ে দেখি
- এমন লোক যে নেই
- সময়বিহীন এক ভাঁড়
- ওরা যারা শুয়ে আছে
- এ পৃথিবী ঘুরে যায়
- আমার এ হৃদয়ের
- আমি হাত প্রসারিত করে দেই
- যেমন নিজের কোলে
পাণ্ডুলিপির কবিতা ১১তম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- প্রভাত শুরু হয়ে গেছে
- আমাদের সকলেরই সম্ভাবনা
- পথে যেতে যেতে
- নক্ষত্রের অসংযম
- আকাশের নক্ষত্র অবধি
- রাত্রির বাতাস আসে
- এক অন্যরূপ প্রবীণ বিনয়
- শিশিরের মতো নিরাময়
- কোনও এক মৃত রমণীকে
- মেধাবী আগুন
- যুগান্তর কবিতা
- আমার টেবিলে ল্যাম্প
- নীলাভ আলোক
- নির্জন শীতের রাতে
- শীত রাতে
- নীলাভ আলোর আলোড়ন
- বহু দিন স্তব্ধ থেকে
- আমরা তাদের নই
- পুরাণ কথার অন্ধকারে
- সময়ের রীলে ঘুরে
- বহু দিন স্তব্ধ হয়ে আছি
- আমার নিকট থেকে
- সর্বদাই মনে হয়
- উন্মোচিত কবিতা
- নিরুত্তর কবিতা
- হৃদয়ের গরিমা
- হাতের মুঠে অনন্ত সময়
- মরা জ্যোৎস্নায়
- আশ্বাস কবিতা
- পারদের মতন উজ্জ্বল
- কথোপকথন কবিতা
- বনহংসী কবিতা
- অনর্থ উজ্জ্বল
- সোমেশ্বর মুস্তফি
- অবনী পালিতের মৃত্যু
- টিফিন কবিতা
- রবীন দত্ত
- তবে কি কেবলই ভিড়
- সারমেয় কবিতা
- সম্পাদনা কবিতা
- কার্তিক রাত্রি
- অঘ্রান রাত
- শীতের রাত
- হেমন্ত রাত
- হেমন্তের ভোরে
- কোথাও সূর্য নাই
- ঋতুপরিবর্তনের দিনে
- অনেক আগের কথা
- আমার হৃদয় দিয়ে
- কোথাও কিছু নেই
- মনে পড়ে
- রৌদ্রের জগতে
- মানুষের মতন বিবেকে
- স্বতঃসিদ্ধ কবিতা
- পুরঞ্জয় সেন
- ইয়াসিন আলি
- যদিও সে নেই আজ
- তোমার আমার সাথে
- একটি মানুষ
- মৃত মনীষী
- প্রেমিক: ১৩৪৫-৪৬
- অলোকসামান্যতা
- রাত্রির সঙ্গমে
- পরিষ্কৃত অন্ধকার
- তিন নারী
- গোলাকার সময়ঘড়ি
- এখন অনেক রাতে
- পরিহাসে নক্ষত্রে উড্ডীন
- স্বর্গে রিপোর্ট লিখে
- অম্লানবদনে তারা
- আমার অতীত
- ব্রহ্মার রগড়
- রাজনীতিবিদ কবিতা
- আমাদের শতাব্দীর পরে
- অপরূপ রাত্রির সঙ্গমে
- এখন বয়স ঢের হয়ে গেছে
- যখন নদীর জল থেমে আছে
- এক দিন যেই সব পটুয়ারা
- ধূসর চাঁদ
পাণ্ডুলিপির কবিতা ১২তম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- অনেক বন্দর ছিল
- কনভেনশন কবিতা
- শব্দব্রহ্ম কবিতা
- কেবলই ভাঁড়ামি
- যেখানে মনীষী
- আমরা তাদের ডাকি
- অপূর্ব রাত
- কেউ কেউ ভেবেছিল
- এক দিন তারা সব এসেছিল
- হস্তগত কাগজের তাস
- বিচিত্র এক পৃথিবী
- প্রতীক কবিতা
- ওরা চার জন
- শৈশব কবিতা
- মনে পড়ে
- এক দিন মনে হয়েছিল
- সময়ের বলিচিহ্নহীন
- দানবীয় কপাল
- এখন রাতের শেষে
- ভোরের মানুষ
- এক দিন উঁচু-উঁচু গাছ ছিল
- পরিষ্কার নির্জন আকাশ
- জীবনের ক্ষুদ্রতর ইতিহাস
- অনেক দেশের কথা ভাবা হত
- প্রবীণ পরিধি
- ঘাসের শরীরে
- এখন চৈত্রের খেতে
- সর্বদা মানুষ
- বিষয়ের পিছে
- প্রাসাদের অরণ্যের মাঝখানে
- আগুনের গান
- নিকটে গাছের ডাল
- বিস্ময় এক অনুভব ক’রে
- প্রবীণ গল্প
- এক জন চীন গ্রন্থকার
- গুর্জর শিল্পী
- এক দিন ভোরবেলা
- প্রত্যাবর্তন কবিতা
- একটি ইহুদি যুবা
- নিউইয়র্কার কবিতা
- নক্ষত্র ত্রয়ী
- নদীর জলের থেকে
- অনেক আগের কথা
- কোনও এক তিব্বতের-লামা
- তোমার প্রাণ আমাকেই চায়
- চাঁদের শিঙের কাছে
- তুমি এই অন্ধকারে
- সময়ের সীমানায় এসে
- হয়তো অধিক দিন
- কখনও শটিত রাতে
- পঞ্চম সন্ত্রাস
- আজ এই পৃথিবীতে
- এখন হলুদ ঠোঁটে
- এখন বনের থেকে
- মক্ষিকা মুখর হয়
- একটি প্রবাদ
- সর্বদা রাত্রি হলে
- নরক চংক্রমণ
- ছায়ার প্রদেশে
- চালের মচকার নীড়ে
- শনিবার সন্ধ্যারাতে
- খ্রীস্টীয় কবর
- বিপর্যস্ত সময়ের জালে
- কারণ তাহার ঠ্যাং
- সত্য আর অনৃতের আবছায়া
- এই সব আবছায়া
- সময় নিজেকে
- প্রেমিক তার হৃদয়কে আহ্বান করছে
- সময়ের ফাঁদ
- ভোরের নির্ঝর
- গভীর রাত্রি
- যদিও দেবতা
- মৎস্যদের গান
- ইতিহাসের এক পর্যায়
- টানা আর পোড়েনের ফাঁক
- জেলেনি কবিতা
- নদী কবিতা
- চিন্তিতেরা বলে
- সমীচীন কবিতা
- চিত্রিত বিম্ব
- এখন বিকেলবেলা
- তবুও নিজের স্থানে
- হয়তো বা ছুটেছিলে
- সারা দিন ভালোবেসে
- অসমরূপসি কবিতা
- মৃণালিনী সেন
- মকরকে ডেকে আনো
- জীয়নকাঠি কবিতা
- নাবালক মানুষ
- সময়ের করুণ সন্তান
- এ সব শিশুরা
- নির্মল দেয়ালে ছবি
- পৃথিবীর সর্বনাশ
- এখানে বেগুনি সিন্ধু
- সময়ের উদ্বুদ্ধ সন্তান
- শীতের বাতাসে
- যেই দেশে
- শরৎ ও হেমন্তের রাত
- বালক কালের দিনে
- এখন সবের প্রাণে
পাণ্ডুলিপির কবিতা ১৩তম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ
- নগরী কবিতা
- সমস্ত শতাব্দী ভরে
- রাত অনেক
- মৃত্যুর ফিরিস্তি
- সেখানে নদীর পারে
- অনেক ঘুরেছি আমি
- পরিপূর্ণ প্রেমিকের মতো
- নদী কবিতা
- পরিপূর্ণ পৃথিবীর ইশারায়
- বালক কালের দিনগুলো
- আমিও তৃপ্তি পেয়ে গেছি
- সময়ের ফাঁকে আমি বহু দিন
- সেই পৃথু’র আমলে
- আমার জীবন যেন
- সর্বদা হৃদয়ে আমি
- প্রকৃষ্ট আনন্দ
- অবসন্ন সময়ের ফাঁকে
- আমাকে দেখেছে ঢের
- পৃথিবীর পথে এসে
- শায়িত ঘাসের ভিড়ে
- পুনরায় এক দিন
- জীবনে আমার এই অনুভূতি
- কখনও জলের ঘ্রাণ
- এ-সব অনন্য কথা
- এক জন বাংলার চাষা
- গফুর কবিতা
- নিষ্ক্রিয় আলোয় আমি
- শিশু কাল থেকে আমি
- আমার দেহের ছায়া
- পাহাড়ের পথে আমি
- জোনাকির কাছে আমি
- মৃণালিনীদের কথা মনে পড়ে
- জোড়া হালদার বলে তাদের চিনেছি
- বুড়ো রাজনাথ
- কৃতি পুরুষের কথা মনে পড়ে
- সততই সন্ধ্যা-রাতে আমি
- এ-সব শীতের দিনে
- সোমনাথ সেন
- অন্ধকার রাতের স্বপ্ন
- অনেক আগের কথা
- তোমার মুখের পরে চোখ রেখে
- আবার হেমন্ত রাত
- পরম ভূতের আবির্ভাব
- ভোরের আলোয়
- কিছুটা প্রকৃত গল্প বলো
- একটি নারীকে আজ মনে পড়ে
- প্রথমে অ্যানা’র কথা মনে পড়ে
- এমন গভীর রাত
- স্থবির গভীর এক মনীষীর কথা
- বিচ্ছিন্ন ভিখিরি
- এক পথ দিয়ে ঢুকে অন্য এক পথে
- মানুষের সমবায় ছেড়ে আমি
- ভিখিরিনী কবিতা
- এ বার তৃতীয় বার চলে যাব
- কোনও এক ভিখিরিকে
- মানুষ চারিয়ে
- পাড়াগাঁর পথে বেঁচে থেকে
- এখন এসেছে ডাক জানি আমি
- কথা বলে এই কাজ
- গোলটেবিলের জীব
- মিটিঙের শেষে
- এখন শব্দব্রহ্ম
- কথার বিস্তার জেনে
- এই নগ্নতাকে
- রমণী ও নীলিমার মুখের প্রতিভা
- এই কথা রেখে যাই
- এখন অনেক কথা সাঙ্গ হলে
- এখন এমন দিন এসেছে
- কোথাও প্রাসাদ এক
- কোথাও অনেক উঁচু স্তূপ
- এখন তা হলে চলো
- এখানে অনেক গাছ
- গভীর নিশীথে আমি
- ঘাসের শরীর ছুঁয়ে
- তা হলে আলোর ডাকে
- হেমন্তের বড়ো হাওয়া
- হেমন্ত বিকেলে আজ
- সর্বদা চোখের কাছে
- জলের ভিতরে মেঘ
- সেখানে তিনটি হাঁস
- তোমার জন্মের সাথে
- তোমার মুখাবয়বে চেয়ে থেকে
- এইখানে পবিত্র এ-পৃথিবীর
- তখন অনেক রাতে
- দিবসের রৌদ্রে ঘুরে
- পৃথিবীর সাধারণ পাথরে
- কথার বাতাস নিয়ে
- এখানে নদীর পাশে
- অঘ্রানের বিকেলবেলায়
- এক শো বছর গেল
- যদি অভিভূত হতে দেই
- এখন তোমার চিত্ত
- এখানে কী কাজ
- তার যে বয়স কত
- প্রথম সে দক্ষিণের দিকে গেল
- চোখ দু’টো ক্রোনোমিটারের মতো
- প্রথম গিয়েছি আমি
- কোনও এক দার্শনিক
- এই এক আধুনিক কথা
- হৃদয় প্রথম দিন
- বিষুবক্রান্তির দিনে
- সময়ের পথে ভ্রমণ
- কোনও এক মহৎ গাধার মতন
- জটিল যাত্রাপথের মানচিত্রে
- ভিড়ের ভিতর সহসা এক জন নারীকে
- এখন আশ্চর্য দিন

পাণ্ডুলিপির কবিতা ১৪তম খণ্ড । জীবনানন্দ দাশ

- কোনও এক জ্ঞানময়
- সর্বদাই পৃষ্ঠপটে রয়ে গেছে
- আত্মার মৃত্যু হয়ে যায়
- যেইখানে আত্মা ভয় পায়
- সময়ের উলঙ্গ পাহাড়
- আকাশরেখার পারে
- সফল মুহূর্ত
- একটি পুরোনো কবিতা
- সেই সব লোক আমি ভালোবাসি
- আজ এই ভোরবেলা
- ফাল্গুনের বিকেলবেলায়
- কার্তিকের ভোরবেলা
- নীলিমা ও পৃথিবীর মাঝখানে
- আকাশ নীলাভ আজ
- কলেজ স্কোয়ারে রাত্রি
- পৃথিবী বিস্তৃত আজ
- নিবিড় সাদা ঘোড়া
- এই সব গাঢ় ঘোড়াদের
- সেইখানে রয়ে গেছে
- দুপুরের রোদ
- দূর থেকে চোখ রেখে
- হয় নি কোনও কথা
- যখন সে এক দিন
- তাহার পিছনে ঘুরে
- গন্তব্যের অবিচল অকৃতিমতায়
- যখন প্রেমিক তার শরীরকে
- নতুন শহরে
- ইলশেগুঁড়ির বৃষ্টি
- এক দিন মনে হত
- অনেক ভূখণ্ড থেকে ফিরে
- সে কোন শতক এই জানি না
- ক্রমেই কলের শব্দ বেজে ওঠে
- মহানুভব আলোর ভিতরে
- ধানের পেলব শীর্ষ
- ভোরের বেলা জানালার পাশে
- সপ্রতিভ লোক সব
- সোনালি হেঁয়ালি
- তেমনই নিজের মতো রয়ে গেছে
- যেই সব ভোর
- আজ এই ভোরবেলা
- লীলা কবিতা
- লর্ড এভারগ্রীন
- হৃদয়ে ঢের কথা আছে
- পৃথিবীর নদীদের হৃদয়ের কাছে
- পৃথিবীর সাধারণ মেয়েলোক
- কোনও কথা নেই
- স্তাবক সমাজ
- সারা দিন দিবারৌদ্রে
- ডেইডেলাস কবিতা
- দেশ নেমে গেছে বঙ্গোপসাগরে
- বাতাসের ধোঁয়া
- আমাদের সমুদ্র ঘিরেছে
- এক পৃথিবীর মৃত্যু
- একটি শতাব্দী আজ
- শতাব্দী মুমূর্ষু হলে
- এইখানে ধর্মমন্দিরের
- মির্চিল সাহেবের উক্তি
- মানুষের মৃত্যু ছিল যত দিন
- অন্য সব প্রেমিকেরা
- কালের করাল ঢেউয়ে
- সেই এক হেমন্ত ঋতু
- এই জীবনের পথে
- কৃষ্ণচূড়ার পাতা উড়ে যায়
- অপরাহ্নে কবিতা
- অতীব নিঃসক্ত পরিবার
- পৃথিবীর আলো দেখে
- অনেক সময় পার হয়ে
- স্বতই দরিদ্রলোক
- সরাই সমাজ
- অসঙ্গত পৃথিবীর অনেক মানুষ
- মৃত্যুই সন্তাপ
- কোথাও বিরতি নিয়ে বসে থেকে
- যুধিষ্ঠির চলে গেলে
- শীতের কুয়াশা
- মানুষের প্রাণের সূচনা
- এক দিন না ভেবে
- নক্ষত্রের আপন
- এক জন ভাবিতের গোলকধাঁধা
- এখন কে যাবে আর বনের ভিতরে
- বড়ো-বড়ো সাদা মেঘে
- ১৯১৪-১৯৪১ কবিতা
- মানুষের ইতিহাসে
- আমরা যাব না আর রাতের ভিতরে
- আমরা যাব না আর পথ পথান্তের দিকে
- নগরী বিকেলবেলা
- এই সব শূন্যতা
- বিকেলের স্তব্ধতায় প্রতিভাত হয়
- আমাদের পৃথিবী ও সমুদ্রের পরিসর
- ১৯৪০এর স্মৃতি
- সূর্যের বিশ্বস্ত রং ফুটে আছে
- চললেই পায়ে চলা পথ ঘাট
- পথান্তর থেকে পথ ফিরে যায় পথে
- কী এক দ্বায়িত্ব আছে
- পিতৃলোক সন্তানের কাছ থেকে
- বুকের উপরে হাত রেখে
- এখন গভীর বৃষ্টি
- কোথাও ভোরের বেলা
- ছায়ার মতন ঢের পথ
- কে শরীর? কে-বা ছায়া?
- নানা রূপ বিকলাঙ্গ রূপ নিয়ে
- নিজেকে রচনা করে ইতিহাস
- প্রকাণ্ড হেমন্ত-রাত
- মেঘলা নদীর বক
- কোথায় সে ডুবে গেছে
- আধো মৃত কৃষকের মুখ
- সময়ের পথে হেঁটে
- আবার হেমন্ত দিন এল
- অনন্ত আকাশে ভোর
- যক্ষ ও সূর্য
- কোথাও পশ্চিম তবু
- অতিব্যয়িতা
- সহসা শিথিল হয়ে গেল
- ভোরের আলোয়
- ভোরের বেলা
- জলের স্তব্ধতা
- সামাজিক নারী
- কোনও এক বিশ্বাসীকে
- অনেক পোলিটিকাল মিটিংয়ের পরে
- বিবিধ ইন্টারভিয়্যুর শেষে
- সন্ধ্যার বাতাস