অপ্রকাশিত জীবনানন্দ ২য় খন্ড কবি জীবনানন্দ দাশ এর কাব্যগ্রন্থ যা ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়। গৌতম মিত্র -এর সম্পাদনায় এটি প্রকাশিত হয়। কবির অগ্রন্থিত কবিতাবলি নিয়ে প্রকাশিত কবিতা সংকলনগুলোর একটি হলো অপ্রকাশিত জীবনানন্দ ২য় খন্ড । এই গ্রন্থটি মোট ২৩টি সতন্ত্র কবিতা রয়েছে।

অপ্রকাশিত জীবনানন্দ ২য় খন্ড । জীবনানন্দ দাশ

- সঙ্কুল সিংহীর মুখ
- কতবার চাঁদ ডুবে গেলে
- মৃত্যুরে ছোঁবার আগে
- মেঠো ইঁদুরের হাত
- স্পষ্ট হয়ে দীপ্তি আছে
- জলমাকড়ের নাচ
- এইখানে জলের ভিতরে
- অনেক গভীর রাতে
- জননী দাঁড়ায়ে আছে
- আকাশযান কবিতা
- এই সব নারী আজও
- সূর্য অস্ত যায়
- আমরা অনেকদিন
- এবার আগুন জ্বালো
- নিজেরে সে ব্যবহৃত ক’রে
- তোমার জানুর ‘পরে
- হেমন্তের রাত্রি এল
- আজ রাতে
- সেই কবে চিত্রসেনী
- মনে হয় যেন
- মরে গেছে
- অনন্ত রাত্রির রোল
- অগ্নি কবিতা

জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম৷ তার কবিতায় পরাবাস্তবের দেখা মিলে৷ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী।
মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন৷গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন৷
জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমানে বাংলাদেশ) অন্তর্গত বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন৷ তার পূর্বপুরুষগণ বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুর(বর্তমান মুন্সীগঞ্জ) পরগণার কুমারভোগ নামক স্থানে “গাওপারা” গ্রামের নিবাসী ছিলেন যা পদ্মায় বর্তমানে বিলীন হয়ে গেছে৷ স্থানটি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অবস্থিত৷
আরও দেখুনঃ