বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

‘বেলা অবেলা কালবেলা’ কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অনন্য কাব্যগ্রন্থ। আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎকবি জীবনানন্দ-দাশের সপ্তম কাব্যগ্রন্থ। কবির মৃত্যুর পর তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা অশোকানন্দ দাশ ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ) এ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেছিলেন। এ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের বহু আগে ১৯৫৪-এর ২২ অক্টোবর এক ট্র্যাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে জীবনানন্দ লোকান্তরিত হয়েছিলেন। এটি মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে আবিস্কৃত লেখাগুলো থেকে এ বইয়ের পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়। আর কবির মৃত্যুর সাত বছর পর তা ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ নামে ১৯৬১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

 

বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ ( ১৯৫৭ )

 

বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

 

বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ ( ১৯৫৭ )

 

কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহঃ

মাঘসংক্রান্তির রাতে
আমাকে একটি কথা দাও
তোমাকে
সময়সেতুপথে
যতিহীন
অনেক নদীর জল
শতাব্দী
সূর্য নক্ষত্র নারী
চারিদিকে প্রকৃতির
মহিলা
সামান্য মানুষ
প্রিয়দের প্রাণে
তার স্থির প্রেমিকের নিকট
অবরোধ
পৃথিবীর রৌদ্রে
সূর্য রাত্রি নক্ষত্র
জয়জয়ন্তী সূর্য
প্রয়াণপটভূমি
হেমন্তের রাতে
নারীসবিতা
উত্তরসাময়িকী
বিস্ময়
ইতিহাসযান
মৃত্যু স্বপ্ন সংকল্প
পৃথিবী সূর্যকে ঘিরে
পটভূমির
অন্ধকার থেকে
একটি কবিতা
সারাৎসার
সময়ের তীরে
যতদিন পৃথিবীতে
মহাত্মা গান্ধী
যদিও দিন
দেশ কাল সন্ততি
মহাগোধূলি
মানুষ যা চেয়েছিল
আজকে রাতে
হে হৃদয়
গভীর এরিয়েলে

 

 

বেলা অবেলা কালবেলা কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ ( ১৯৫৭ )

 

জীবনা-নন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম৷ তার কবিতায় পরাবাস্তবের দেখা মিলে৷ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী।

মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন ৷গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন৷

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment