মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ কবি জীবনানন্দ দাসের রচিত কাব্যগ্রন্থ । যা কবির মৃত্যুর অনেক বছর পর ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। এতে মোট ৩৮টি কবিতা রয়েছে।

 

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

 

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

 

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

 

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহঃ

জীবনের মানে ভালো
জোনাকী
ঐখানে সারা দিন
সুন্দরবনের গল্প
কুহুলিন
জীবন ভালোবেসে
কবিতার খসড়া
এইখানে সূর্যের
দাও দাও সূর্যকে
মহাপতনের ভোরে
মহাযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে
মহাত্মা
আশার আস্থার আধার নিজেই মানুষ
রজনীগন্ধা
মনবিহঙ্গম
এখানে নক্ষত্রে ভ’রে
জীবনবেদ
কার্তিকের ভোরে: ১৩৪০
এক অন্ধকার থেকে এসে
অন্য এক প্রেমিককে
জর্নাল: ১৩৪২
অন্য প্রেমিককে
ঢেউয়ে ঢেউয়ে
নব নব সূর্যে
হেমন্তের নদীর পারে
তবুও পায়ের চিহ্ন
চারি দিকে পৃথিবীর
সুদর্শনা
কোনও এক জ্যোৎস্না রাতে
ডালপালা নড়ে বারবার
নির্জন হাঁসের ছবি
বড়ো বড়ো গাছ
মাঝে মাঝে
সূর্য এলে
সবারই হাতের কাজ
তোমাকে ভালোবেসে
সে
অদ্ভুত আঁধার এক

 

 

মনবিহঙ্গম কাব্যগ্রন্থ । জীবনানন্দ দাশ

 

জীবনানন্দ -দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷ তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম৷ তার কবিতায় পরাবাস্তবের দেখা মিলে৷ জীবনানন্দের প্রথম কাব্যে নজরুল ইসলামের প্রভাব থাকলেও দ্বিতীয় কাব্য থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন মৌলিক ও ভিন্ন পথের অনুসন্ধানী।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন৷ বুদ্ধদেব বসু তাঁকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন৷ অন্যদিকে, অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে ‘শুদ্ধতম কবি’ অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। সমালোচকদের অনেকে তাঁকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি বলে মনে করেন।

মৃত্যুর পর থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন তার জন্মশতবার্ষিকী পালিত হচ্ছিল, ততদিনে তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতে পরিণত হয়েছেন ৷গ্রামবাংলার ঐতিহ্যময় নিসর্গ ও রূপকথা-পুরাণের জগৎ জীবনানন্দের কাব্যে হয়ে উঠেছে চিত্ররূপময়, তাতে তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ অভিধায় খ্যাত হয়েছেন৷

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment